ইইই এর পূর্ণরূপ হচ্ছে ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং ফ্যাকাল্টির অন্তর্গত এপ্লাইড ফিজিক্স, ইলেক্ট্রনিক্স এন্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং(এপিইসিই) কে ২০১৭-১৮ সেশন থেকে ইইই তে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।সুতরাং, ১৭-১৮সেশনই হবে ইইই প্রথম ব্যাচ। ১৬-১৭ সেশন পর্যন্ত মোট ১৫ টা ব্যাচ এপিইসিই তে ভর্তি হয়।

পড়ালেখার ধরন : সব বিশ্ববিদ্যালয়েই মোটামুটি ইইই-র সিলেবাস একই। ইইই-র ৪ টি সাবডিসিপ্লিন আছে। যথা:

১)পাওয়ার
২)ইলেক্ট্রনিকস
৩)টেলিকমিউনিকেশন
৪)কম্পিউটার

যেসব বিষয়গুলো পড়ানো হয় তারমধে উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয়:

ইলেক্ট্রিক্যাল সার্কিট, কম্পিউটার প্রোগ্রামিং, ইঞ্জিনিয়ারিং ম্যাথ,ইলেক্ট্রনিকস, ইলেক্ট্রিক্যাল মেশিন,কন্ট্রোল সিস্টেম, ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ফিল্ড এন্ড ওয়েব,পাওয়ার ইলেক্ট্রনিকস, মাইক্রোপ্রসেসর ইন্টারফেসিং এন্ড সিস্টেম ডিজাইন, পাওয়ার সিস্টেম, কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং, মোবাইল সেলুলার ইঞ্জিনিয়ারিং, রেডিও এন্ড টিভি ইঞ্জিনিয়ারিং, এমবেডেড সিস্টেম ডিজাইন প্রভৃতি।

#সেশনজট : এপিইসিই বিভাগ বর্তমানে সম্পূর্ণভাবে সেশনজট মুক্ত।সুতরাং, ইইই-র ছাত্রছাত্রীদেরও জটের কালো থাবার নিচে পতিত হতে হবে না বলে আশা করা যায়।

#রেজাল্ট : এপিইসিই বিভাগ থেকে ৪ আউট অব ৪ পাওয়ারও রেকর্ড আছে। সর্বোচ্চ জিপিএ সাধারণত ৩.৯ এর উপরে থাকে এবং গড় জিপিএ ৩.৪-৩.৫ এর মতো(আউট অব ৪)

#চাকরিক্ষেত্র : ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়গুলোর মধ্যে ইইই ছাত্রছাত্রীদের অন্যতম পছন্দসই সাবজেক্ট। সেটা দেশে-বিদেশে ইইই-র চাকরি সুবিধার জন্যই।

★এই পৃথিবীতে যতরকম শিল্পকারখানা আছে, প্রত্যেকটাই এক এক টা ইইই ব্যাকগ্রাউন্ড ছাত্রছাত্রীর কর্মক্ষেত্র।

★টিভি, রেডিও, কম্পিউটার, মোবাইল থেকে ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র যতরকম ইলেক্ট্রনিক্স জিনিসপত্র তৈরিকারক প্রতিষ্ঠান আছে সেখানে ইইই গ্রাজুয়েটদের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য।

★এইচএসসি তে ‘আইসিটি’ নামক যে বিষয়টা আছে বিসিএস এডুকেশন ক্যাডার দিয়ে সে বিষয়ের কলেজের শিক্ষক হওয়ার জন্য আবেদনের করতে পারে শুধুমাত্র দুইটা ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ের ছাত্রছাত্রীরা। একটা সিএসই(বা আইসিটি বা আইটি), অন্যটা ইইই।

★সব ব্যাংক, প্রাইভেট ফার্মে ইইই ছাত্রছাত্রীদের জন্য বিশেষায়িত কিছু পদ থাকে।
★এছাড়াও সবার জন্য উন্মুক্ত ব্যাংক, বিসিএস এর মতো সেক্টরগুলো তো আছেই…

ভর্তিচ্ছুদের স্বাগতম হালের অন্যতম জনপ্রিয় এই সাবজেক্টে…

তথ্যসহযোগিতায় : শৈবাল দাশ, এপিইসিই, ২০১২-১৩ সেশন।