ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত এবং বাংলাদেশ সরকারের পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) আওতায় বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) কর্তৃক পরিচালিত হচ্ছে জাতীয় বস্ত্র প্রকৌশল ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (নিটার)। ২০১০-২০১১ শিক্ষাবর্ষে যাত্রা শুরু করা এই প্রতিষ্ঠানে থাকছে চার বছরমেয়াদি বিএসসি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স।

ইতিহাস

জাতীয় বস্ত্র প্রকৌশল ও গবেষণা ইনস্টিটিউট সূচনা হয় ১৯৭৯ সালের জানুয়ারিতে Textile Industry Development Centre (TIDC) নামে। সূচনালগ্ন থেকে এ প্রতিষ্ঠান দেশে দক্ষ বস্ত্র প্রকৌশলী তৈরিতে অবিরাম কাজ করে যাচ্ছে।

১৯৯৬ সালে সরকারের উদ্যোগে বাংলাদেশের টেক্সটাইল শিল্পের উন্নয়নে একটি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হিসেবে ‘National Institute of Textile Training Research & Design’ (NITTRAD) নামে আত্মপ্রকাশ করে।

পরে বাংলাদেশ সরকারের বস্ত্র ও পাট মন্ত্রনালেয়র সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মে ২০০৯ থেকে দেশের প্রথম ‘পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশীপ’ শিক্ষা ও গবেষণা কেন্দ্র হিসেবে ‘বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস্ এসোসিয়েশন’ কে ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয়।

 

niter

বিটিএমএ এর দক্ষ ব্যবস্হাপনায় উচ্চ শিক্ষার নিমিত্তে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত হয় প্রতিষ্ঠানটি। ঢাবির পরামর্শ অনুযায়ী জানুয়ারি ২০০৯ থেকে প্রতিষ্ঠানটি ‘National Institute of Textile Engineering &Research (NITER) নামে পরিচিত হয়। দক্ষ টেক্সটাইল শিল্পে দক্ষ প্রকৌশলী তৈরি করতে ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলোজি’ অনুষদের অধীনে ৪ বছর মেয়াদি বিএসসি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স চালু হয়।

বিটিএমএ-র মিলে যে কোন সময় ছাত্র-ছাত্রীদের ভিজিট ও কোর্স শেষে শতভাগ চাকুরীর ব্যবস্থা, বিদেশে উচ্চ শিক্ষা ও সরকারী চাকুরীর সুযোগতো আছেই।

সাবেক নাম– টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রি ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (টিআইডিসি), National Institute of Textile Training Research & Design এনআইটিটিআরডি।

মটো – টেক্সটাইল এডুকেশন এন্ড ট্রেনিং-এ শ্রেষ্ঠত্বের একটি কেন্দ্র।

অবস্থান

জাতীয় বস্ত্র প্রকৌশল ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (নিটার) ঢাকার সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ থেকে ২.২ কি.মি. সামনে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক সংলগ্ন নয়ারহাট/কুহিনূর গেটেই ১৩.০৬একর পরিধি বেষ্টিত সবুজঘেরা এ ক্যাম্পাসের অবস্থান।

এখানে আছে কয়েক টি একাডেমিক ভবন, ১৪,৫০০ বইয়ের সংগ্রহ নিয়ে ১টি লাইব্রেরি ও প্রশাসনিক ভবন, ছাত্রছাত্রীদের জন্য আবাসিক হল নিয়ে পুরো কাঠামোটি গঠিত।

এর একাডেমিক, প্রশাসনিক ও আবাসিক সুবিধাসহ সর্বমোট ১ লক্ষ ৩০ হাজার বর্গফুট এর ভৌত অবকাঠামো রয়েছে। ইনস্টিটিউটে কোর্সসমূহ যথাযথভাবে পরিচালনার জন্য এর রয়েছে দক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষকমন্ডলী।

এছাড়াও ইনস্টিটিউটে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক শিক্ষা প্রদানের জন্য রয়েছে পর্যাপ্ত ক্লাসরুম ও ব্যবহারিক ক্লাশের জন্য রয়েছে পৃথক পৃথক ইয়ার্ন ম্যানুফেকচারিং ল্যাব, ওয়েট প্রসেসিং ল্যাব, অ্যাপারেল ম্যানুফেকচারিং ল্যাব, টেস্টিং এন্ড কোয়ালিটি কন্ট্রোল ল্যাব, নিটিং ল্যাব, উইভিং ল্যাবসহ পদার্থবিদ্যা ও রসায়ন ল্যাব সুবিধা।

নিটারের রয়েছে ডিজিটালাইড ও ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম সম্বলিত প্রায় ৯,৫০০ বই-জার্নাল-ম্যাগাজিন সমৃদ্ধ পৃথক লাইব্রেরী। উন্নত কম্পিউটার সুবিধা সম্বলিত কম্পিউটার ল্যাব রয়েছে নিটারে; এছাড়াও সার্বক্ষণিক ইন্টারনেট সুবিধা সম্বলিত ওয়াই-ফাই জোন ক্যাম্পাস রয়েছে নিটারের। ছাত্রছাত্রীদের জন্য রয়েছে খেলার মাঠ।

বি. এসসি. ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সের ইনস্টিটিউটের ছাত্রছাত্রীদের জন্য পৃথক হোস্টেল সুবিধা রয়েছে ক্যাম্পাসে।

niter

শিক্ষা কার্যক্রম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলোজি’ অনুষদের অধীনে ৪ বছর মেয়াদি বিএসসি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স চালু হয়। বর্তমানে এ প্রতিষ্ঠান থেকে যে সব বিষয়ের উপর বিশেষায়িত ডিগ্রি প্রদান করা হচ্ছে,সেগুলো হলো-

ইয়ার্ন ইঞ্জিনিয়ারিং
ফেব্রিক ইঞ্জিনিয়ারিং
ওয়েট প্রসেসিং ইঞ্জিনিয়ারিং
এপারেল ইঞ্জিনিয়ারিং (মোট ২৯০ আসন)
ইন্ডাস্ট্রিয়াল এন্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং (১৪০)
FDA ৭৫
CSE ১২০
EEE ৬০
এম.এসসি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং,আসন সংখ্যা-৬০ টি
এমবিএ ইন টেক্সটাইল এন্ড অ্যাপারেল ভ্যালু চেইন, আসন সংখ্যা ৪০টি

 

এছাড়া টেক্সটাইল শিল্পে প্রশিক্ষণের জন্য বিভিন্ন স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদি কোর্স চালু রয়েছে। ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে M.Sc in Textile Engineering এবং ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে MBA ইন টেক্সটাইল এন্ড এপারেল ভ্যালু চেইন প্রোগ্রাম চালু হয়েছে।

এখন পর্যন্ত ১৬৩ জন শিক্ষার্থী সফল ভাবে স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করেছে। বর্তমানে বিএসসি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে ৬৯০ শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত।

শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে রয়েছে ১২হাজারেরও বেশি বই সমৃদ্ধ লাইব্রেরী এবং উন্নত মানের ল্যাবরেটরি। যার ল্যাবরেটরির সুনাম সারাদেশব্যপ্রি এবং প্রতিবছরই দেশের বিভিন্ন টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ল্যাবের জন্য এখানে আসে।

দেশ-বিদেশের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি প্রাপ্ত একঝাঁক মেধাবী শিক্ষকদের আন্তরিকতা ও সুনজরদারিতে শিক্ষাদান করা এসব শিক্ষার্থীদের।

niter

প্রকার 

পাবলিক-প্রাইভেট-পার্টনারশিপ।  1979 টিআইডিসি হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয় যা একটি পাবলিক প্রতিষ্ঠান ছিল। 1994 সালে এটি NITTRAD মধ্যে নাম পরিবর্তিত। ২009 সালে এটি পিপিপি পরিচালনায় গিয়েছিল। অবশেষে ২013 সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুপারিশ অনুযায়ী এটির নাম পরিবর্তন করে হয় NITER।

অধ্যক্ষঃ  Prof. Dr. Md. Abdul Mottalib, Professor, Institute of Leather Engineering and Technology, University of Dhaka

একাডেমিক স্টাফ – 100

বিভিন্ন ইনস্টিটিউটের সাথে একাডেমিক সহযোগিতা রয়েছে:

  • Wuhan Textile University, China
  • University of Bolton, United Kingdom
  • Niederrhein University of Applied Sciences, Germany
  • UNIDO
  • Gesellschaft für Internationale Zusammenarbeit (GIZ)

ভর্তি প্রক্রিয়া

ভর্তি প্রক্রিয়া ঢাবি প্রযুক্তি ইউনিট এর অধীনে সম্পন্ন হয়। পুরো প্রক্রিয়া জানতে পড়ো ঢাবি প্রযুক্তি ইউনিট অধিভুক্ত ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজসমূহে ভর্তির বিস্তারিত। 

আবাসন ব্যবস্থা

হোস্টেল -৫
ছাত্রদের জন্য 3 এবং ছাত্রীদের জন্য ২ এবং মেডিকেল সুবিধা

ল্যাবরেটরিজ 

বাংলাদেশের সবকটি টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এর মধ্যে অন্যতম সেরা ল্যাবরেটরি সুবিধা। টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টে রয়েছে, “স্টেট অব দ্যা আর্ট “ল্যাবরেটরি যা বাংলাদেশের মধ্যে সর্ব উত্তম। টেক্সটাইল ডিপার্টমেন্ট এর বিশেষায়িত সাবজেক্ট সমূহের জন্য রয়েছে আলাদা আলাদা ল্যাবরেটরিজ সুবিধা।

niter

ইয়ার্ণ ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ

সুতাই পোশাক শিল্পের প্রাণ।তাই বেল ম্যানেজমেন্ট থেকে সুতা তৈরির সম্পূর্ণ লাইন রয়েছে যেটি পুরোপুরি সচল। এছাড়াও রয়েছে সুতার কোয়ালিটি জানার জন্য কোয়ালিটি কন্ট্রল ল্যাব সেখানে HVI,AFIS,ইয়ার্ণ স্ট্রেন্থ টেস্টার,ব্রিজলি ব্যালেন্সসহ অত্যাধনিক সব মেশিনসমূহ্ যেগুলো দিয়ে সুতার কোয়ালিটি নির্ণয় করা হয়।ইয়ার্ণ ম্যানুফেকচারিং একটি স্বয়ং সম্পূর্ণ ডিপার্টমেন্ট।

niter

ফ্যাব্রিক মানুফ্যাকচারিং বিভাগ

এই ডিপার্টমেন্ট এর প্রধান কাজ হচ্ছে ইয়ার্ন থেকে ফেব্রিক তৈরি করা। ফেব্রিক মানুফ্যাকচারিং ইঞ্জিনিয়ারিং সাবজেক্ট এর জন্য নিটার একটি পরিপূর্ণ ইন্সটিটিউট । উইভিং, নিটিং উভয় সাবজেক্ট পরানোর জন্য রয়েছে প্রয়জনীয় সব মেশিন। উইভিং ল্যাবে রয়েছে পার্ন ওয়াইন্ডিং মেশিন, কনভেনশনাল ট্যাপেট লুম, ডবি লুম, প্রজেক্টাইল লুম,রেপিয়ার লুম, এয়ার জেট লুম এবং জ্যাকার্ড লুম।

নিটিং ল্যাবে রয়েছে ফ্লাট নিটিং মেশিন, ডাবল জার্সি সার্কুলার নিটিং মেশিন, সিংেল জার্সি সার্কুলার নিটিং মেশিন , জ্যাকার্ড নিটিং মেশিন, ওয়ার্প নিটিং মেশিন। ল্যাব ফেসিলিটি এর জন্য নিটার অন্যতম সেরা একটি ইন্সটিটিউট ।

ফেব্রিক ডিপার্টমেন্ট এ শিখার জন্য যতটুকু প্রয়োজন তার পুরুটাই এখান থেকে পাওয়া সম্ভব।

niter

ওয়েট প্রোসেসিং ইঞ্জিনিয়ারিং

সুতা থেকে কাপড় তৈরির পর শুরু হয় কাপড়কে রঙিন করার প্রক্রিয়া এটিই ওয়েট প্রোসেসিং। কাপড় তৈরির পর ডাইং প্রিন্টিংয়ের বিভিন্ন ধাপের মাধ্যমে কাপড় রঙিন হয়ে ওঠে। এটি একটি মহাযজ্ঞ বলা চলে এটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শাখা টেক্সটাইল ইন্জিনিয়ারিংয়ের।

নিটারে ৩ টি ওয়েট প্রোসেসিং ল্যাব রয়েছে যেগুলো রোটারি প্রিন্টিং থেকে শুরু বিলিচিং, বিভিন্ন ডাইং মেশিন , প্যাডিং ম্যাঙ্গেল, অটোমেটিক হ্যাঙ্ক ডাইং সহ আধুনিক সব মেশিন রয়েছে। রয়েছে ওয়াশিং ল্যাব ও। যা একজন ওয়েট প্রোসেসিং ইচ্ছুক শিক্ষার্থীর জন্য যথেষ্ট।

niter

এ্যাপারেল ম্যানুফেকচারিং ইঞ্জিনিয়ারিং

এটি এমন একটি বিভাগ যেটি আমাদের দেশের দিক তাকালে খুব গুরুত্ববহ, একটি পোশাক তৈরির শুরু থেকে শেষ সব কাজে যার প্রভাব থাকে তিনি মার্চেন্টডাইজার।

এই বিভাগের শিক্ষার্থীরা মূলত মার্চেন্টটডাইজার হিসেবে আত্ম প্রকাশ করে।এই বিভাগের ল্যাবে রয়েছে সুইং,ডিজাইনের বিভিন্ন মেশিনারিজ, ক্যাড,ভার্রচুয়াল ফ্যাশন ডিজাইন সহ প্রভিতি মেশিন এছাড়াও ওয়াশিং ল্যাব নির্মানাধীন।

niter

 

ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রোডাকশন ইন্জিনিয়ারিং

আইপিই আমাদের দেশের অল্প সংখ্যক বিশ্ববিদ্যালয় পড়ানো, নিটারে ১৭ সাল থেকে শুরু হয়েছে। নবীন বিভাগ হলেও বিভাগটি স্বয়ংসম্পূর্ণ এর জন্য নতুন কম্পিউটার ল্যাব তৈরি হয়েছে এছাড়া কিছু মেশিন ইনস্টলেশন হচ্ছে।

ইন্ডাস্ট্রিয়াল এন্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টের জন্য রয়েছে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি /ইকুইপমেন্ট সমৃদ্ধ ফ্লুইড মেকানিক্স এন্ড মেশিনারিজ ল্যাব, থার্মোডিনামিক্স এন্ড হিট ট্রান্সফার ল্যাব, ইঞ্জিনিয়ারিং UTM ও CNC সমৃদ্ধ ম্যাটেরিয়াল্স এন্ড সলিড মেকানিক্স ল্যাব, ফাউন্ড্রি এন্ড কাস্টিং ল্যাব ও আর্গানোমিক্স ল্যাব।

ফ্যাশন ডিজাইন এন্ড অ্যাপারাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্ট

রয়েছে প্যাটার্ন ল্যাব, ডিজাইন স্টুডিও, ফ্যাশন ডামি, কাটিং ল্যাব, ক্যাড, অ্যাপারাল ল্যাব, কম্পিউটার ল্যাব।

ইইই ডিপার্টমেন্টে রয়েছে ৪ টি পরিপূর্ণ ল্যাবরেটরি:

1) Electrical Circuits, Electronics and VLSI Lab

2)Electrical Machines and Power Electronics Lab

3) Power Systems and Communication Engineering Lab

4)Control systems, Measurement and Instrumentation Lab

 

অন্যান্য ল্যাব সমূহ

পদার্থবিদ্যা,রসায়ন,ইইই,মেক্যানিকাল ওয়ার্কশপ,ইইই ড্রইং সহ প্রয়োজনীয় সকল ল্যাব এখানে রয়েছে।

tech unit niter

নিটারে খরচ

FDAE নিয়ে কিছু কথা

ফ্যাশন ডিজাইন অ্যান্ড এপারেল ইঞ্জিনিয়ারিং (এফডিএই) নাম শুনলে অনেকেই হয়ত ভেবে বসে “ফ্যাশন ডিজাইন শিখবি?”,”এটাতো কোর্স বা ডিপ্লোমা করলেই হয়,”ফ্যাশন ডিজাইনে আবার কীসের টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং?”, “এটাতো মেয়েদের সাবজেক্ট” অথবা “এটা লিপস্টিক সাবজেক্ট নাতো?”

– এ কথাগুলা শুরুর দিকে খুব প্রচলিত থাকলেও এখন খুব কম ফেইস করতে হয়। সবার কাছে অনেকটাই পরিচিত হয়ে গেছে। তারপরও ক্লিয়ার করার জন্য বলছি যে এটি মোটেও লিপস্টিক সাবজেক্ট না।

এখানে রয়েছে, ছেলে-মেয়ে উভয়ের জন্য রয়েছে সমান সুযোগ। এপারেল ইঞ্জিনিয়ারিং সংযুক্ত থাকায় এখানে তুমি একজন ফ্যাশন ডিজাইনার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার পাশাপাশি পাবে একজন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার এর পরিপূর্ণ কোর্স।

ইতোমধ্যেই বড় ভাইয়াদের কাছে নিশ্চয় শুনে ফেলেছো যে, টেক্সটাইল এর সব সাব্জেক্টের পড়া প্রায় সেইম।

দু-একটা কোর্স সাব্জেক্টে শুধু ভিন্নতা আছে। আসলেও তাই। তবে এখানে মজার বিষয় হল, তুমি অন্য ডিপার্টমেন্টে পড়ে শুধুমাত্র একজন ইঞ্জিনিয়ার হতে পারবে, বিএসসি লেভেল শেষেই একজন ফ্যাশন ডিজাইনার হতে পারবে না।

niter

অন্যান্য ফ্যাশন ইন্সটিটিউট থেকে পাশ করা ডিজাইনারদের থেকেও কিন্তু তুমি শত গুণ এগিয়ে। কারণ কী জানো? কারণ, একজন টেক্সটাইল ফ্যাশন ডিজাইনার জানেন কোন কাপড়ে কেমন ডিজাইন দেওয়া প্র্যাক্টিকাল কিংবা কোন ডিজাইন দেওয়া সাশ্রয়ি হবে।

তাই একজন সাধারণ ফ্যাশন ডিজাইনার শুধুমাত্র তার প্র্যাক্টিকাল নলেজের অভাবে তোমার সাথে প্রতিযোগিতায় পারবে না।

এপারেল ইঞ্জিনিয়ারিং ইনক্লুড হওয়ার কারনে ফ্যাশন ডিজাইনার হিসেবে তোমার দর চাকরির বাজারে এক ধাপ বেড়ে গেল, তাই না? বড় ভাইয়া আপুদের থেকে নিশ্চয়ই শুনেছো, বর্তমান সময়ে টেক্সটাইল সেক্টরে এপারেল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ফ্যাশন ডিজাইনিং এর চাহিদা শীর্ষে।

ভেবে দেখো, ফ্যাশন এন্ড এপারেল ডিজাইন সাব্জেক্টটি পড়ার মাধ্যমে তুমি একইসাথে চাকরীর বাজারে শীর্ষে থাকা দুটি বিষয় নিয়ে পড়তে পারছো এবং চাকরীর বাজারে গিয়ে তুমি নিজের ইচ্ছেমত ফ্যাশন ডিজাইন কিংবা এপারেল ইঞ্জিনিয়ারিং জব বেছে নিতে পারবে।

অর্থাৎ চার বছর পর তুমি নিজেকে একই সাথে একজন ফ্যাশন ডিজাইনার এবিং একজন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে পরিচয় দিতে পারবে।

ফ্যাশন ডিজাইন অ্যান্ড এপারেল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টটি শুধু এ দিক থেকেই অনন্য না। পুরো বাংলাদেশে ফ্যাশন ডিজাইন এবং এপারেল ইঞ্জিনিয়ারিং এর কম্বিনেশন সাব্জেক্টটি প্রথম নিটারেই শুধুমাত্র চালু ছিল।

তবে সাবজেক্টির জনপ্রিয়তার কারণে গত বছর শ্যামলী টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজেও সাবজেক্টটি চালু করা হয়েছে।

তোমাদের অবগতির জন্য জানিয়ে রাখি, বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (বুটেক্স) এ এখনও এপারেল ইঞ্জিনিয়ারিং (সিট সংখ্যা=৮০) এবং ফ্যাশন ডিজাইন (সিট সংখ্যা=৪০) সাব্জেক্ট দুটি আলাদা করে পড়ানো হয়। তারমানে শুধুমাত্র এই একটি সাব্জেক্টটি পড়ার মাধ্যমে তুমি ১২০ জন এর সাথে কম্পিটিশন করতে পারবে।

niter

অর্থাৎ ফ্যাশন ডিজাইন অ্যান্ড এপারেল ইঞ্জিনিয়ারিং (এফডিএই) এর স্টুডেন্টরা দেশের অনন্য সম্পদ এতে সন্দেহ নেই। প্রতি ব্যাচে মাত্র ৭৫ জনের এ ছোট ডিপার্টমেন্টটিতে তুমি পাবে শিক্ষকদের আন্তরিকতা, অসাধারণ বন্ধুত্ব, বড় ভাইয়া-আপুদের স্নেহ-মমতা এবং গাইডলাইন।

এখানে কালার সেন্সটা ভালো হলে খুব হেল্প হয়। যদিও এটা প্রথমেই খুব বেশি ইফেক্ট ফেলে না। কারণ, সময় যেতে যেতে তুমি অভ্যস্ত হয়ে যাবে।

আর যারা ছবি আঁকতে পারো না বলে ভয় পাচ্ছো তাদের জন্য বলছি ভয়ের কারণ নেই। অনেকেই আগে কখনো সিরিয়াসলি ছবি আঁকেনি।

অথচ এখন তাদের সুপ্ত প্রতিভা ফুটে উঠছে পরিপূর্ণভাবে। এখন তারা পুরোদস্তুর আর্টিস্ট। ফেসবুকে তারা তাদের আর্ট ওয়ার্কের পোস্টও দেয়। তোমার যদি ছবি আঁকতে ভালো লাগে, গ্রাফিক্স ডিজাইনিং এর শখ থাকে তাহলে এ সাব্জেক্টটি তোমার জন্যই।

তাছাড়াও, ফ্যাশন ডিজাইন অ্যান্ড এপারেল ইঞ্জিনিয়ারিং (এফডিএই) এ পড়া অবস্থায় যোগ্যতা ভেদে পেতে পারো বিভিন্ন মানের বৃত্তি। নিটারের সাথেই রয়েছে বিভিন্ন বিদেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চুক্তি। যদি তোমার প্রতিভা থাকে তাহলে ফ্যাশন ডিজাইনিং থেকে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সাফল্য পাওয়া খুব একটা কঠিন না।

বাংলাদেশের অনেক ডিজাইনারই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কাজ করছে। উচ্চতর শিক্ষার জন্য Paris,Milan,New York এসব শহরের বিভিন্ন নামিদামী ভার্সিটি তে উচ্চতর ডিগ্রী গ্রহণ করা যায়।

ফ্যাশন ডিজাইনিং বিষয়ে শিক্ষার্থীদের বাংলাদেশে রয়েছে চাকরির বিশাল বাজার। সরকারি-বেসরকারি দুটি ক্ষেত্রেই রয়েছে চাকরির বিশাল ক্ষেত্র।

বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিতে কাজের সুযোগের পাশাপাশি বেসরকারি পর্যায়ে স্থাপিত দেশি-বিদেশি বিভিন্ন বায়িং অফিস, বুটিক হাউস, ফ্যাশন হাউস, গার্মেন্টস শিল্প ও ইন্ডাস্ট্রিতে উৎপাদন কার্যক্রমের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত হয়ে কাজ করতে পারবে।

ফ্যাশন ডিজাইন অ্যান্ড এপারেল ইঞ্জিনিয়ারিং (এফডিএই) থেকে পাশ করার পর যদি তোমার জব সুইচ করতে ইচ্ছে হয় তাহলে তুমি টেক্সটাইল এর ভালো মানের সেক্টরে চাকুরী করতে পারবে। যারা ডিপার্টমেন্ট এ প্রথম হয় তারা ভার্সিটির শিক্ষক হিসেবে যোগদান করার সুযোগ তো আছেই।

niter

 

বিশ্ব যখন ফ্যাশন নিয়ে তোলপাড় চলছে, ঠিক তখন পিছিয়ে নেই আমরাও। পোশাক শিল্পে বাংলাদেশের সাফল্য আর নিত্য নতুন দেশি ফ্যাশন হাউজ এর কারনে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে ফ্যাশন ডিজাইন এন্ড এপারেল ইঞ্জিনিয়ারিং।

যা বাংলাদেশে একমাত্র নিটার- ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড রিসার্চ এ প্রথম যাত্রা শুরু হয়।

গবেষণা কার্যক্রম

নিটারের গবেষনা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য রয়েছে স্বতন্ত্র আরআইআর RIR উইং।বর্তমানে বিভিন্ন গবেষনা চলমান যেমন,

১.কলাগাছের আঁশ থেকে ফাইবার এক্সকট্রাশন।
২.স্মার্ট টেক্সটাইল, ই-টেক্সটাইল নিয়ে গবেষনা।
৩.আনারসের তন্তু থেকে কাপড় তৈরি।

 

niter

প্রতিবছর, টেক্সটাইল কর্ণধারদের সেমিনার, ফ্যাশন ডিজাইন ফেস্টিভাল, মিনি রিসার্চ ফেস্টিভালের মতো প্রোগ্রাম আয়োজনের মাধ্যমে অনেক এক্সটা-কো কারিকুলামের সুযোগ করে দেয় নিটার।

এখানকার শিক্ষার্থীরা পড়াশুনার পাশাপাশি টেক্সটাইল টেলেন্টহান্ট’ মত জাতীয় প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে প্রতিষ্ঠানের সুনাম অর্জন করেছে এবং সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের লক্ষে কম্পিউটার ক্লাব, ডিবেটিং ক্লাব, স্পোর্টস ক্লাব ও কালচারাল ক্লাবে স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে অংশগ্রহন করছে।

এটি একটি গবেষণা কেন্দ্র ও বটে। গবেষণার জন্য রয়েছে Research & Industrial Relation (RIR) Wing, বিভিন্ন গবেষণায় সফলতার মুখ ও দেখেছেন গবেষকরা।

৯-১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ তারিখে ভারতের দিল্লী তে অনুষ্ঠিত “Functional Textiles And Clothing Conference 2018” এ বিশ্বের ৮৭ টি টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় ও ইন্সটিটিউট এর মধ্যে জাতীয় বস্ত্র প্রকৌশল ও গবেষণা ইন্সটিটিউট(নিটার) কনফারেন্সের জন্য নির্বাচিত হয়েছে।

১৪ একর জায়গার উপর নিটার একটি সবুজ ক্যাম্পাস।ঢাকা থেকে দূরে হওয়ায় এটি প্রাণবন্ত সবুজের মাঝে অবস্থিত দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম টেক্সটাইল ক্যাম্পাস। তাই টেক্সটাইল যদিও তোমার প্যাশন হয় তবে নিটার হতে পারে আর্দশ জায়গা।

niter

 

নিটার নিয়ে এবার কিছু অপ্রিয় সত্য কথা বলি, ভাল গুলোতো বলাই হয়ঃ

১. যারা 2nd time আবার admission দিতে চাচ্ছো এবং নিজের মাঝে বিশ্বাস আছে যে তুমি পারবে, তাহলে ২nd time করো নইলে পারবে না।

২.যারা ভাবতেছো যে tution ই করাবা এই এলাকায় tution ই পাওয়াটা কষ্টকর পেলেও তেমন পেমেন্ট পাবে না।

৩.Niter এ যারা শুধু 1st হয় তাদের ই ১ বছর এর ফি সম্পূর্ণ ফেরত দেয়া হয়, 1st হওয়া অনেক competitive.

৪. যদি কেউ ১ বছর পর ভতি বাতিল করতে চাও তাহলে তোমাকে পরবর্তী ১ বছরের সম্পূর্ণ প্রায় টাকা ১ লক্ষ দিয়ে certificate তুলতে হবে নইলে দিবে না। তাই 2nd time confidence থাকলে ভরতি হবে না।

৫. 1st year এ ৫০ জনের মত হলে seat পাবে merit list অনুযায়ী। 2nd year এ সবাই।

৬. নিজের Creativity বাড়ানোর জন্য বা কিছু course করতে চাইলে আশেপাশে তেমন পাবে না, ঢাকায় যেতে হবে।

৭. Niter এ যে পর্যন্ত সীট ফাকা থাকবে ভর্তি করানো হবে, ফোন দেয়া হবে।

৮. যদি পারিবারিক অসচ্ছলতা থাকে তবে ভরতি হইও না। টাকার বেপারে খুব কড়া NITER. অনেক private uni te scholarship আছে এখানে নেই।

9. যদি 2nd time করার ইচ্ছা না থাকে এবং টাকার সমস্যা না থাকে তাহলে NITER best তোমার জন্য এখানকার প্রতেক টি Department ভাল এবং পড়ালেখার ব্যাপারে খুব helpful এবং কড়া।

১০. যদি মনে হয় serial পিছনে কোথায় ভর্তি হব এবং 2nd time এর energy নাই, আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর Certificate হাতছাড়া করতে চাই না এবং Job পাওয়া সহজলভ্য হবে তাহলে ও তোমাকে থেকে স্বাগতম। [https://engineersdiarybd.com/]

১১. Private University এর certificate থেকে অবশ্যই DU certificate best যা করবা সব ভেবেচিন্তে, মাঝখানে যেন পথভ্রষ্ট না হও।

 

DUTECH Certificate

কলেজের সার্টিফিকেট এর সাথে ঢাবির কোনো পার্থক্য নেই

STEC এর শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেট

STEC এর শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেট

১২. NITER BUET(URP), kuet, cuet,ruet, sust, iut, sau, science and technology তে chance পাওয়া অনেকেই আছে। কিন্তু তারা মন মত subject পায় নাই। এখানকার Textile, IPE এর জন্য ছেড়ে দিয়েছে। তাদের অল্প সময়ে self- relient হতে হবে তাই।

১৩. আমি নিজেও JSC+SSC+HSC তিন টা তেই GPA:5.00….এবং ক্লাস 5+8 দুই টি তেই tallent pool scholarship + Dinajpur board(জেলায়) e দুই বার ই ১২তম। এরকম অনেকেই আছে। তারা অবশ্যই ভেবে ভর্তি হয়েছে।

১৪. অনেক কিছুই বললাম নিজের ছোট ভাই মনে করে। NITER এ যে জিনিস টা সবচেয়ে বেশি অনুভব করবা তা হল আপন বড় ভাইয়ের মত কিছু ভাই আর এক্তা আপন পরিবার যা অন্য কোন University তে পাবা না এতটুকু জোর গলায় বলতে পারি।

১৫. নিজেকে DU পরিচয় দিতে পারবা না। Proud to be a Niterian. that’s its..শুভকামনা তোমাদের জন্য।

১৬। সরকারি তে আসবে কিন্তু ঢাকায় থেকে পড়ার ইচ্ছা!
– নিটারে আপনাকে স্বাগতম যদি আপনি নিটারের খরচ সামলাতে পারেন! সামলানো মানে ভালো ভাবে সামলাতে হবে!

যদি মনে করে থাকেন যে চার বছরে আপনি প্রায় ৫ লাখ টেনে টুনে দিতে পারবেন তাহলে বলব থেমে যান। আপনি যদি শান্তি চান তাহলে সরকারী তে যান.. কারণ প্রতি মাসে নিজের খরচ দিয়ে সেমিস্টার ফি দেওয়ার চিন্তা অনেক প্যারা দায়ক এবং বিভীষিকা।

১৭। ঢাকা থেকে আসা যাওয়া করে ক্লাস করব নিটারে!
– এটা অসম্ভব কিছু না। প্রথম প্রথম আপনিও পারবেন! তবে ভাই প্রতিদিন ৬ টায় উঠে ৮ টার ক্লাসে যাওয়া আর ৮ ঘন্টা ক্যাম্পাসে থেকে আবার বাসে করে বাসায় যাওয়া খুবই কষ্ট সাধ্য।

 

এই যাওয়া আসা শরীরের সকল শক্তি শুষে নেয় আর তা নিয়ে পড়তে বসা কঠিন। বছর ঘুরতেই আপনি হল মুখি হবেন।

হ্যা তবে ঢাকা থেকে আসা যাওয়া করে এমন মানুষ আছে! সংখ্যা টা বড়ই কিন্তু তার পিছনে হয়ত জীবিকার টান আছে না হয় পারিবারিক সমস্যা।

১৮। হলে থাকলে পড়াশোনা হয় না
– যদিও নিটারে প্রথম বর্ষের জন্য হল নেই, তাও বলি জেনে রাখেন। পড়াশুনা যার যার। তবে হলে অনেক হইচই হয় যাতে অনেকই পড়তে পারে না তাদের জন্য রিডিং রুম আছে।

আর নিজের সক্ষমতা থাকলে হলে থেকেও অনেক ভালো ফলাফল করা যায়! পরীক্ষায় খারাপ হলে তা সম্পূর্ণ আপনার দায়িত্ব হল এ থাকা এর জন্য দায়ী নয়।

অনেকে ভাই এর উদাহরণ আছে যে হলে থেকে খুব ভালো রেজাল্ট করছেন।

১৯. প্রতিমাসে নিটারের খরচ কেমন?
হলে থাকলে আপনি ক্যাটিনের খাবার খেলে, হিসাব টা এই রকম সকালের নাস্তা ৩০ দুপুরের খাবার ৫০ রাতের খাবার ৫০ বিকালে নাস্তা ২০ আর আনুসাঙিক ২০ মোট ১৭০*৩০= ৫১০০ টাকা। অর্থাৎ ৫৫০০-৬০০০ টাকা হলে আপনি স্বাচ্ছন্দ্য নিয়ে চলতে পারবেন। উপরের খরচে আরাম আয়েশ সহ থাকার কথা বললাম।

তবে ৩০০০ – ৩৫০০ হাজারেও চালানো সম্ভব কোনো কষ্ট ছাড়া। আর বাইরে থাকলে ১৫০০-২০০০ বাসা ভাড়া আর মিলে ভালো মানে খাবারে ১৫০০-২০০০ টাকা যাবে। আর হ্যা বাইরে ঘুরতে যাওয়া, ট্রিট দেওয়া, স্পেশালি কলম কিনার খরচ মাথায় রাখবেন।

নিটার এর যোগাযোগের ঠিকানা

নিটার, নয়ারহাট, সাভার, ঢাকা।
ওয়েব সাইট:: www.niter.edu.bd
ই মেইল: [email protected] ; [email protected]
মোবাইল ফোন: ০১৭৫৫০৬০২৭৫।
অফিস ফোন: ৭৭৯১৯৭২, ৭৭৯১৯৭৫।

আরো পড়ুন

  1. ফরিদপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ রিভিউঃ 
  2. ময়মনসিং ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ রিভিউঃ 
  3. বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ রিভিউঃ 
  4. স্টেক রিভিউঃ 
  5. ইইই রিভিউঃ 
  6. সিএসই রিভিউঃ 
  7. টেক্সটাইল রিভিউ
  8. আইপিই রিভিউ
  9. ফ্যাড রিভিউ
  10. প্রযুক্তি ইউনিট নোটিশ লিংকঃ 
  11.  DU Technology Unit Official Admission & Information Desk  join us

অন্যদের জানানোর জন্য লেখাটা বন্ধুদের সাথে শেয়ার করো